আ,হ,জুবেদঃ আমাদের বর্তমান বিশ্ব এক ভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন। নানা দিক দিয়ে নানারকম দ্বন্দ্ব-সংঘাতে আটকে আছে পৃথিবীর একেকটি এলাকা।
কিন্তু এসব দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে তথা কথিত শাসকরা রেহাই পেলেও, শোষিত হচ্ছে বিশ্বের অগণিত সাধারণ মানুষরা।
৬৯তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করে এসব কথা বলেন, বিশিষ্ট সংগঠক মোহাম্মদ শামিম আহমেদ।
গত ১০ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন কুয়েতের কার্যালয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে ও কুয়েতের সংবাদকর্মী, মানবাধিকার কর্মী এবং ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় ৬৯তম বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের আজীবন সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুর রউফ মাওলার সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সদস্য,বাংলা টিভির কুয়েত প্রতিনিধি আ,হ,জুবেদের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সংগঠক, ব্যবসায়ী মোঃ শামিম আহমেদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুয়েতের সিআইডি বিভাগের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ফাহাদ সাদ আওয়াদ আল আজমি, বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক গ্রুপ কুয়েতের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইয়াকুব।
এসময় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সাংবাদিক মোঃ জালাল উদ্দিন, সাংবাদিক আল আমিন রানা, সুরমা পাড়ের কথা পত্রিকার সম্পাদক এস,এম আব্দুল আহাদ, সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহমুদ।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা বলেন, আজ ১০ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। ১৯৫০ সালে এই দিনটিকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। তার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এ দিনটি পালিত হচ্ছে।
মানবাধিকার ইস্যুতে পাশ্চাত্যের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা বলেন, মানবতাই শ্রেষ্ট ধর্ম, মানব সেবাই শ্রেষ্ট কর্ম।
দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রবণতা বেড়ে গেছে এবং পাশ্চাত্যের দেশগুলো সব সময় মানবাধিকারের শ্লোগান দেয়, কিন্তু সমসাময়িক বেশ কয়েকটি ইস্যুতে তাদের আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে।











